Home / আন্তর্জাতিক / ১৪ মে বায়তুল মুকাদ্দাসে নেয়া হবে আমেরিকার দূতাবাস: মুসলিম বিশ্বের কড়া হুঁশিয়ারি

১৪ মে বায়তুল মুকাদ্দাসে নেয়া হবে আমেরিকার দূতাবাস: মুসলিম বিশ্বের কড়া হুঁশিয়ারি

আগামী ১৪ মে মার্কিন দূতাবাস তেল আবিব থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসে স্থানান্তর করা হবে। এই ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মে মাসে দূতাবাস স্থানান্তর করা হবে এটি গত শুক্রবারই জানানো হয়েছিল।

এদিকে, মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান বায়তুল মুকাদ্দাসে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে ফিলিস্তিনিরা।

রোববার গাজার শ্রমিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে শহরের একটি স্কয়ারে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। বিক্ষোভকারীরা সেখানে অবস্থান কর্মসূচিও পালন করেন।

শ্রমিক সংগঠনগুলোর জোটের মুখপাত্র আব্দুল কারিম আল খালেদি বিক্ষোভ সমাবেশে বলেছেন, “ফিলিস্তিনের রাজধানী বায়তুল মুকাদ্দাসের ঐতিহ্য, পরিচিতি ও ধর্মীয় মর্যাদা মুছে ফেলার চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “ট্রাম্প বায়তুল মুকাদ্দাসকে দখলদার ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করে ও সেখানে দূতাবাস স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যেই ইহুদিবাদীদের পক্ষ নিয়েছেন এবং ফিলিস্তিনিদের অধিকার ভূলুণ্ঠিত করেছেন।”

আমেরিকার এমন সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা পিএলও।

একইসাথে দূতাবাস স্থানান্তর করা হলে আমেরিকাকে চড়া মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি আজ সোমবার নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস শহরে দূতাবাস স্থানান্তর করার যে সিদ্ধান্ত আমেরিকা নিয়েছে তা দেশটির অন্যতম বড় ধরনের ভুল নীতি এবং এর জন্য ওয়াশিংটনকে ভবিষ্যতে মুল্য দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, গতবছরের ৬ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস শহরকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন। একইসাথে তিনি ঘোষণা করেন, তেল আবিব থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস শহরে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নেয়া হবে। ট্রাম্পের এ ঘোষণার বিরুদ্ধে সারা বিশ্বে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। পরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এ নিয়ে ভোটাভুটি হয় এবং আমেরিকা তাতে ব্যাপকভাবে পরাজিত হয়।